কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬ এ ০১:১৬ PM
কন্টেন্ট: পাতা
১. সাধারণ দর্শনীয় স্থানসমূহ (General Tourist Spots)
দর্শনীয় স্থানের নাম | অবস্থান ও বিবরণ | যাতায়াত ব্যবস্থা ও বিশেষত্ব |
ইংলিশ টিলা (বাগবাড়ী) | ছাতক পৌরসভা এলাকার বাগবাড়ী নামক স্থানে অবস্থিত ঐতিহাসিক টিলা। | ছাতক বাজার থেকে রিকশা বা পায়ে হেঁটে ১০ মিনিটে যাওয়া যায়। এর মনোরম প্রাকৃতিক পরিবেশ পর্যটকদের আকর্ষণ করে। |
শিব টিলা | ছাতক পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত। | উপজেলা পরিষদ থেকে পায়ে হেঁটে বা রিকশাযোগে সহজে যাতায়াত করা যায়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে এটি বেশ পরিচিত। |
দুর্বিন শাহের টিলা | ছাতক উপজেলা সদরের কাছাকাছি অবস্থিত প্রাচীন টিলা। | ছাতক পৌর শহর থেকে সিএনজি বা রিকশাযোগে সরাসরি স্পটে যাওয়া সম্ভব। |
সুরমা নদীর পাড় ও চর | ছাতক সদর ইউনিয়ন, সুরমা, চেলা ও ধলাই নদীর মোহনা অঞ্চল। | ছাতক বাজার কিংবা বাউসা বাজার থেকে সুরমা নদীর পাড়ে যাওয়া যায়। নদী, বালিচর ও বিকেলের চমৎকার আবহাওয়ার জন্য বিখ্যাত। |
লাল পাহাড় (Red Hill) | ছাতক উপজেলার ভারত সীমান্তবর্তী পাহাড়ি অঞ্চল। | ছাতক শহর থেকে সিএনজি বা স্থানীয় পরিবহনে যাতায়াত করা যায়। এর লালচে মাটি ও প্রাকৃতিক সবুজ পর্যটকদের মুগ্ধ করে। |
শিখা সতের | কালারুকা ইউনিয়ন, সিলেট-ছাতক হাইওয়ে এবং রেলপথের মাঝামাঝি অবস্থিত। | ছাতক শহর থেকে প্রায় ৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে ছাতক আসার পথেই এটি চোখে পড়ে। |
২. শিল্পকারখানা ও বাণিজ্যিক দর্শনীয় স্থানসমূহ (Industrial Tourist Spots)
কারখানার নাম | বিবরণ ও গুরুত্ব | যাতায়াত ও অবস্থান |
ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরী | ১৯৩৭ সালে আসাম-বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানি নামে সুরমা নদীর তীরে স্থাপিত। এটি বাংলাদেশের প্রথম ও সবচেয়ে পুরাতন সিমেন্ট কারখানা। | ছাতক পৌরসভা এলাকার সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত। ছাতক শহর থেকে রিকশা বা সিএনজিযোগে যাওয়া যায়। |
লাফার্জ সুরমা সিমেন্ট কোম্পানি | ২০০০ সালে স্থাপিত সুরমা নদীর পাড়ে গড়ে ওঠা একটি বিশাল ও আধুনিক বেসরকারি সিমেন্ট কারখানা। | ছাতক নোয়ারাই ইউনিয়ন সংলগ্ন সুরমা নদীর পাড়। ছাতক শহর থেকে নৌকা বা সড়কপথে সহজে যাতায়াত করা যায়। |
সিলেট পাল্প অ্যান্ড পেপার মিল | ১৯৭৫ সালে সুরমা নদীর তীরে ১৪০ একর ভূমির ওপর স্থাপিত রাষ্ট্রায়ত্ত কাগজ মণ্ড উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। | ছাতক শহর থেকে স্থানীয় যানবাহনে যাওয়া সম্ভব। শিল্প গবেষক ও পর্যটকদের জন্য এটি একটি শিক্ষণীয় স্থান। |
ছাতক-ভোলাগঞ্জ রজ্জুপথ (Ropeway) | ১৯৬৮ সালে ভোলাগঞ্জ কোয়ারী থেকে পাথর পরিবহনের জন্য নির্মিত ১৯ কিমি দীর্ঘ ঐতিহাসিক ক্যাবল কার বা রজ্জুপথ। | ছাতক রেলওয়ের নিজস্ব পাথর কোয়ারি ও পাথর নামানোর ঘাট এলাকা। এটি ছাতকের অন্যতম প্রধান একটি বাণিজ্যিক আকর্ষণ। |
স্টোন ক্রাশার ও পাথর ইন্ডাস্ট্রি | ধলাই ও চেলা নদীর মোহনায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম পাথর প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল। | ছাতক বাজার সংলগ্ন নদীঘাট ও তৎসংলগ্ন এলাকা। ছাতক শহর থেকেই নদীর ঘাটে স্তূপীকৃত পাথরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়। |
আকিজ কোং লিঃ |
ছাতক শহর থেকে আনুমানিক ৩কি.মি.দক্ষিণে ছাতক শ্যামপাড়া নামক স্থানে অবস্থিত । যা ছাতক শহরে শিল্পকারখানার মধ্যে অন্যতম। | রিক্সা বা সিএনজি যোগে |